আপনার প্রয়োজনে প্রতিদিন, ২৪ ঘন্টা
আমাদের কাছেই আছে আপনার শিশুর সঠিক চিকিৎসা ! আন্তর্জাতিক মানের সেবা

আমরাই টাংগাইল জেলার প্রথম আন্তর্জাতিক মানের হসপিটাল। এখনই আমাদের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অনলাইনে সিরিয়াল দিন

সেবা ইন্টারন্যাশনাল হসপিটালের শিশু রোগ নিরাময়ের বিশেষত্ব কি ?

টাংগাইল জেলায় একমাত্র আমাদের হাসপাতালে NICU রয়েছে। শিশুর জন্মের পর যে কোন সমস্যা হলে আমরা সাথে সাথে সেবা দিতে প্রস্তুত। ২৪ ঘন্টা শিশু সার্জারি রয়েছে আমাদের। 

তাই মা ও শিশুর জন্য আমরা আপনার একমাত্র নির্ভিরযোগ্য হাসপাতাল।

আমাদের দেশের শিশুরা সাধারণত ডায়ারিয়া, মূত্রনালির প্রদাহ, নেফ্রোটিক সিনড্রম, পুষ্টিহীনতা , নিউমোনিয়া ইত্যাদি রোগে ভোগে।

দেখা যায়, বহির্বিভাগ এবং হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া একটি অত্যন্ত প্রচলিত সমস্যা। শিশুরা এই রোগে বেশি ভোগে। তারপরে অন্যান্য রোগ।urgentPhoto

বিভিন্ন কারণে ডায়রিয়া হতে পারে। আমাদের দেশে বিশেষ করে দুই বছরের নিচের শিশুদের ডায়রিয়ার সবচেয়ে প্রচলিত যে কারণ তা হলো এক ধরনের ভাইরাস। যাকে বলে রোটা ভাইরাস। আরেকটু বড় বয়সের বাচ্চাদের জীবাণুঘটিত ডায়রিয়া হতে পারে। সেগুলোকে বলা হয় ইনভেসিভ ডায়রিয়া। ইনভেসিভ ডায়রিয়ায় সাধারণত পায়খানার সাথে রক্ত এবং মিউকাস যায়। আর রোটা ভাইরাসজনিত যে ডায়রিয়া, সেখানে সাধারণত পানির মতো পাতলা পায়খানা হয়। শিশুদের ডায়রিয়া হওয়ার যতগুলো কারণ দেখা যায়,  তার মধ্যে মা যদি বাচ্চাকে বুকের দুধ না খাওয়ায়, ঠিকমতো ভ্যাকসিন না দেয়, বিশেষ করে ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং অন্যান্য ভ্যাকসিন যদি না দেয় এবং যদি বোতলে দুধ খাওয়ায় তাহলে ডায়রিয়া হতে পারে।

ডায়রিয়া প্রতিরোধ করার জন্য মাকে বুকের দুধ খাওয়াতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। মাকে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। একজন মা যদি তার শিশুকে দুই বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ায়, অধিকাংশ সময় দেখা যায় সেসব শিশুর হয়তো বছরে একবার ডায়রিয়া হয়। কিন্তু যারা বোতলের দুধ খাওয়ায় তাদের ২০ থেকে ২৪ গুণ বেশি ডায়রিয়া হয়। এ ছাড়া ছয় মাস বয়সের সময় পারিবারিক খাবার শুরু করতে হবে। পারিবারিক খাবার ভালোভাবে তৈরি করতে হবে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হাত দিয়ে তৈরি করতে হবে। প্রতিবার গরম করে বাচ্চাকে দিতে হবে। যে সমস্ত পানি ব্যবহার করা হয়, তা যেন জীবাণুমুক্ত থাকে মায়ের সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

এ ছাড়া শিশুর প্রস্রাব-পায়খানা ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। মা-বাবার ধারণা বা আমাদের দেশে অনেকের ধারণা, শিশুদের পায়খানা এটা তেমন মারাত্মক কিছু না। কিন্তু এটা ভুল ধারণা।

অনেকগুলো কারণে একটি বাচ্চা পুষ্টিহীনতায় ভোগে। যদি দেখা যায় যে ছোট বাচ্চা জন্ম হয়েছে সে যদি বুকের দুধ না খাওয়ায়, বোতলে দুধ খাওয়ায় এবং সেই দুধ যদি ঠিকমতো তৈরি না করে। বাচ্চার যদি ঘন ঘন ইনফেকশন হয়। এ ছাড়া দারিদ্র্যও একটি বড় কারণ। দরিদ্র পরিবারগুলোতে পুষ্টিহীন বাচ্চার সংখ্যা বেশি।

প্রতিটি বাচ্চাকে চার মাস পরপর কৃমির ওষুধ দেওয়া উচিত। যে সমস্ত বাচ্চা কৃমিতে আক্রান্ত হয়, এসকাইলিসটোমা ডোডোনা  নামে এক ধরনের কৃমি আছে, তারা বাচ্চার শরীর থেকে রক্ত চুষে খায়। এর ফলে বাচ্চাটি রক্তশূন্যতায় ভোগে। বদ হজম, পাতলা পায়খানা, পেটে ব্যথা ইত্যাদি রোগে ভোগে। শিশু যে সমস্ত খাবার খায় সে পুষ্টিটা কৃমি নিয়ে খেয়ে ফেলে। তখন বাচ্চাটা শেষ পর্যন্ত পুষ্টিহীনতায় ভোগে।

আমাদের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সমূহঃ
ডাঃ মোঃ নূর উদ্দিন তালুকদার

ডাঃ মোঃ নূর উদ্দিন তালুকদার

এমবিবিএস , বিসিএস ( স্বাস্থ্য ) , ডিসিএইচ , এমডি ( শিশু ) সহকারী অধ্যাপক , শেখ হাসিনা মেডিকেল হাসপাতাল , টাঙ্গাইল কনসালটেন্ট - ইসলামিয়া জেনারেল হাসপাতাল লিমিটেড । সাক্ষাত ঃ রবি ও মঙ্গলবার দুপুর ২ টা হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ।